নির্বাচনের পর বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতাচ্যুত দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নেতাকর্মীদের দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ বা তালা খুলে ভেতরে ঢোকার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে, এসব তৎপরতা তারা কি দলীয় নির্দেশে করছেন, নাকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে, অথবা অন্য কোনো রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবে হচ্ছে কি না।

২০২৪ সালের আগস্টে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-এর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগসহ এর সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল, যার কারণে দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

তবে নির্বাচনের পর ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় দলটির কর্মী-সমর্থকদের কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা বা প্রবেশের ঘটনা দেখা গেছে। কোথাও কার্যালয় খোলার পর পাল্টা দখল বা হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

দলের আত্মগোপনে থাকা কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, কার্যালয় নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত করা হয়নি, তাই সেখানে যাওয়া নেতাকর্মীদের জন্য স্বাভাবিক বিষয়। তিনি আরও বলেন, কোনো নির্দেশনা বা সমঝোতা নেই; তৃণমূল কর্মীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এমন প্রত্যাশা থেকে দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন বা যেতে চাইছেন।

প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগ এবং এর সব সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল।